![]() |
|
|
|
Search |
|
|||||
|
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||
|
রবীন্দ্রনাথ ও ওকাকুরা সান
অনন্তদেব মুখোপাধ্যায়
১৯১৩ খৃস্টাব্দে সত্য ও সুন্দরের সাধক রবীন্দ্রনাথকে তাঁর ৫২ বছর বয়সে এশিয়াবাসীদের মধ্যে প্রথম নোবেল পুরুস্কার দিয়ে বিশ্বকবিরূপে সারা পৃথিবীর মানুষ বরণ করে নিয়েছেন৷তাঁর রচনায় মানবপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম ও অধ্যাত্বসাধনা প্রধান বিষয়৷ গজদন্তনির্মিত, বিলাসবহুল, জীবনবিমূখ সুউচচ মিনারে বসে শুধু স্বপ্নলোক রচনা তাঁর কাম্য নয়৷ দূরকে করিতে নিকট বন্ধু, পরকে করিতে ভাই মানুষকে দেখেছেন কাছে থেকে, শ্রদ্ধা করেছেন,ভালো বেসেছেন৷ দেশ-দেশান্তরের মানুষের সাথে মিলবার জন্য গিয়েছেন ইংল্যান্ডে, উত্তর ও দক্ষিন আমেরিকায়, ফ্রান্সে, ইউরোপের অন্য দেশে-দেশে, ইতালিতে, গ্রীসে, মিশরে, রাশিয়ায়, পারস্যে, ইরানে, ইরাকে, চীনে, মালয়-জাভা-বালিদ্বীপে, সিংহলে এবং অবশ্যই সুন্দরের ধ্যানমগ্ন জাপানে৷ এই জাপানে তিনি ১৯১৬,১৯২৪ এবং ১৯২৯ খৃষ্টাব্দে তিনবার বিশ্বপথিকরূপে পরিক্রমা করেন৷ তবে এই ভ্রমনের আগেই কলকাতায় চারুকলা-অনুরাগী ওকাকুরা সান-এর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়৷ ভারতে তিনি আসেন রবীন্দ্রনাথের প্রানাধিক প্রিয় ভ্রাতুষপুত্র সুরেন্দ্রনাথের অতিথি হয়ে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে৷ ১৯০১ খৃষ্টাব্দে শান্তিনিকেতন ব্রম্মাচর্য, আশ্রমে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে ওকাকুরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন৷ শুধু তাই নয়, ওকাকুরার ব্যবস্থায় নব প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতন ব্রম্মার্চযাশ্রমে [ জাপান ] আসেন হোবি সান সংস্কৃত ...সম্বান্ত সামবাই বংশে তাঁহার জন্ম ব্রম্মাচর্যাশ্রমে প্রথম ছাত্র তিনি৷
ওকাকুরা মেইজি যুগ-এর আনর্তজাতিক চেতনাসম্পন্ন টোকিও ফাইন আর্টস্ স্কুল-এ (বর্তমানে টোকিও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ফাইন আর্টস্ এন্ড মিউজিক)-এর প্রথম বিভাগীয় অধ্যক্ষ (উবধহ) রূপে বৃত হন৷ পাশ্চাত্য রীতির অংকন পদ্ধতির আগ্রাসন থেকে ঐতিহ্যবাহী নিহোংগো রীতির অংকন পদ্ধতির পুনরুদ্ধার ও পুন:প্রর্বতনে দায়িত্বর্পূণ ভূমিকা পালন করেন৷ অনুরূপভাবে রবীন্দ্রনাথ পাশ্চাত্য রীতির অংকন পদ্ধতির প্রভাব থেকে ভারতের নিজস্ব অংকন রীতিকে মুক্ত রাখার জন্য ১৯০৫- এ বঙগভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল কলকাতায় অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ই.বি. হ্যাভেল পরিচালিত নিউ বেঙ্গল স্কুল অফ ইন্ডিয়া আর্ট এর প্রতিষ্ঠায় সহযোগী হন৷ পরিনত বয়সে চিত্রশিল্পচর্চায় মনোনিবেশ ১৯২৯ খৃষ্টাব্দ থেকেই থেকেই বলা যায় আরাম্ভ করেন৷ ১৯৩০-এ প্যারিস-এ তাঁর চিত্রাংকন শিল্পের একটি প্রদর্শনী হয়৷ ১৯৩২-এ কলকাতায় রবীন্দ্র চিত্রকলা নামে একটি প্রদর্শনী আয়োজিত হয়৷চিত্রাঙ্গনে তাঁর নিজস্ব শৈলী স্বীকৃতি লাভ করে৷ ওকাকুরা তাঁর প্রধান বিষয়গুলি ইংরাজি ভাষায় গ্রন্থবদ্ধ করেন৷ রবীন্দ্রনাথও তাঁর কিছু রচনা ইংরাজি ভাষায় লেখেন৷ তিনি যে নোবেল পুরুস্কার লাভ করেন সেটি তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থেও ইংরাজি ভাষায় Song of offerings নামে প্রকাশিত গদ্যানুবাদের জন্য৷ রবীন্দ্রনাথের মতোই তিনি মানুষ ও শিল্পের সন্ধানে ইউরোপ, আমেরিকা, চীন ও ভারত পরিক্রমা করেন৷ বিশ্বজনের কাছে ওকাকুরা সান জাপানকে প্রাচ্যদেশ রূপে উপস্থাপনা করেন পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রচন্ড আক্রমন সত্বেও৷ রবীন্দ্রনাথও অনুরুপভাবে পাশ্চাত্য সভ্যতার আগ্রাসনকে প্রতিহত করে প্রাচ্যের গরীয়ান সভ্যতার বিষয়গুলি গ্রহণে আগ্রহী ছিলেন৷ রবীন্দ্রনাথ ও ওকাকুরা সান প্রায় সমবয়সী৷ রবীন্দ্রনাথ তাঁর থেকে দু বছরের বড়৷ রবীন্দ্রনাথ শিল্পী হয়েও মূলত: কবি ও লেখক৷ দ্বিতীয়জন লেখক হলেও বিশেষ ভাবে সৃজনমূলক শিল্পানুরাগী৷ যত্র বিশ্বম্ ভবত্যেক নীড়ম, বিশ্ববাসী যেখানে একটি নীড়ের উষ্ণতায় একত্রিত হতে পারে- সেই বিশ্বভারতীর রূপকার রবীন্দ্রনাথ ওকাকুরা সানের শিল্পবোধক সম্মন্ধে নিজ কন্যা মীরা দেবীকে লেখা এক চিঠিতে জানিয়েছেন : আমরা নিজের দেশকে এবং কাজকে একটি বৃহৎ দেশ এবং কালের উপর দাঁড় করিয়ে উদারভাবে দেখতে জানিনে৷....জাপানে আধুনিক শিল্পীদের জন্যে ওকাকুরা যে স্কুল করে গেছে তাতে কত কাজ চলছে তার ঠিক নেই৷......সিয়াটেলে একটা স্টুডিয়োতে গিয়ে দেখলুম সেখানে জন কয়েক আর্টিষ্টে মিলে কাজ করতে লেগে গেছে৷ অর্থাৎ এদেশে যে কোনো মানুষকে যে কোনো আইডিয়াতে পেয়ে বসে, সেই আইডিয়াকে বৃহৎ দেশ ও কালের সঙ্গে সংলগ্ন না করে সে থাকতেই পারে না এটাই হচেছ এদের স্বভাব- সেই জন্যেই এরা বড়ো হয়ে উঠেছে৷ এসব কথা লিখে নিজেদের সম্র্পকে সখেদে মন্তব্য করেছেন : আমরা বিচিছন্ন, বিভক্ত, অলস, আমরা নিজের একাকিত্বের বাইরে পা বাড়াতে পারিনে- রবীন্দ্র রচনা এমনই বিপুল যে ভাবীকালে হয়তো বা এই রচনাবলীর সবগুলিই একজন রবীন্দ্রনাথ একা লিখেছেন-একথা এক বাক্যে স্বীকৃত হবে না৷ তুলনায় মাত্র তিনটি রচনা ওকাকুরা সানের গ্রন্থাগারে পাওয়া যায়৷ সেগুলো হলো t The Ideals of The East (London, J. Murrray, 1903), The Aawkening of Japan (Ne wyork: Century 1904).Ges The Book of Tea (Ne wyork, Putnams, 1906) রবীন্দ্রনাথের জীবিতকালে গ্রন্থাকারে ১৮৭৮ থেকে ১৯৪১ খৃষ্টাব্দ অবধি প্রকাশিত কবি কাহিনী ও শেষ লেখা-সহ বইয়ের মোট সংখ্যা ২০৪৷ চিঠিপত্র সহ আরও গ্রন্থ এখনও প্রকাশ করা হচেছ৷ দি আইডিয়ালস্ অফ দি ঈষ্ট গ্রন্থটি ওকাকুরা-র ভারতবর্ষে [তখনও ব্রম্মদেশ,পাকিস্তান ,বাংলাদেশ ও বর্তমান ভারত একত্রিত ছিল- লেখক] বাসকালে রচিত এইরূপ কথা প্রচলিত ছিল৷ এ গ্রন্থের ভূমিকা জাপানবাসী ওকাকুরা সানের মতো আর এক ভারতপ্রেমী ভগিনী নিবেদিতা [পূর্বনাম আয়ারল্যান্ড নিবাসী মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল্] লিখেছিলেন৷ একথা এখানে উল্লেখ করা অবান্তর হবে না, ইংরেজ উপনিবেশবাদী অপশাসনে বঙ্গভঙ্গেও যে চক্রান্ত ১৯০৫-এ হয় তার বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা গ্রহন করেছিলেন৷ এই বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে বঙ্গবাসী বা ভারতবাসী না হয়েও ওকাকুরা সান মূল্যবান সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিলেন৷ নানাভাবে মানবতাবাদী এই মানুষটি সংস্পর্শে জাপানের প্রতি রবীন্দ্রনাথের চিত্ত এককালে বিশেষভাবে উৎসুক এবং জাপান ভ্রমনের বাসনা জাগে তাঁর সম্পর্কে একটি চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ জানিয়েছেন, ওকাকুরাকে তার দেশের লোক তেমন করে চিনতেই পারেনি৷ সে যা হোক, এই গ্রন্থের প্রথম পংক্তিটি সেকালের ভারতবাসীসহ সমগ্র এশিয়াবাসীর মনে সংহতির নবচেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিল : (Asia is one) একই পরিচেছদের কিছুটা স্বরণ করা যায় : But not even the snoyw barriers can interrupt for one moment that broad expense of love for the ultimate and universal, hwich is the common thought inheritance of every Asiatic race, enabling them to produce all the great religious of the owrld, and distinguishing them from those maritime peoples of the Mediterranean and the Baltic, hwo love to dewll on the Particular, and to search out the meant, not the end, of life. আর এখানেই রবীন্দ্রনাথের সাথে তাঁর আদর্শগত মিল হয়৷ তাই ১৫মে, ১৯২৯ তারিখে Industrial club, Tokyo Z Indo-Japanese Association আয়োজিত সভায় Oriental Culture and Japan`s Mission বিষয়ে ইংরেজিতে ভাষণ দিতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ তাঁর সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে যা বলেছিলেন তার অক্ষম আনুবাদ হবে কয়েক বছর আগে প্রকৃত রুপে জাপানের সাক্ষাৎ পাই যখন সেই দ্বীপময় দেশ থেকে এক মহান মৌলিক চিন্তাবিদ মনীষী আমাদের কাছে আসেন৷ দীর্ঘকাল তিনি আমাদের অতিথি হয়েছিলেন... তাঁর কাছ থেকেই শোনা যায় প্রাচ্যের বানী... এ ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা. . . . আমার ব্যক্তিগত জীবনে বারবার স্মরনীয়৷এই ভাষণে তিনি আরও বলেছেন : তাঁর সাথে যখন আমি সাক্ষাৎ করি তখন না জানি কিছু জাপান সম্পর্কে, না ছিল চীন সম্পর্কে আমার কোন অভিজ্ঞতা৷ এই মহান মানুষটির ব্যক্তিগত সংম্পর্শে এসে এই দুই দেশের পরিচয় লাভ করি৷ দীর্ঘ এই ভাষণে তিনি ওকাকুরা সম্পর্কে বলেছেন: আমি যাঁর কথা বলেছি আমার সেই বন্ধু ছিলেন প্রকৃত জাপানী এবং আমি নিশ্চিত তাঁর অন্তরে এই সত্য পর্যাপ্ত ছিল বলেই প্রাচ্যবাসীদের তিনি গভীর ভাবে বুঝতে পারতেন৷ তিনি যে কত সহজে স্বাভাবিকভাবে আমাদের দেশের মানুষের জীবনের সুখ-দু:খের ভাগ নিতে পারতেন৷ শুধু তাঁদের দেশের জন্য নয়, সমস্ত বিশ্ববাসীর কল্যাণ সাধনের জন্য তাঁদের মনে উদ্দীপনা যে সঞ্চার করতে পারতেন তা দেখতে পাওয়ার সুযোগ আমাদের হয়েছিলৃ... আর আলোচ্য বইটি সম্পর্কে ঐ ভাষণে যে কয়টি কথা বলেছিলেন সেটুকু অবশ্যয় উল্লেখ্য : ... ভারতে ছয়মাস থাকার পর তিনি স্বদেশে ফিরে যান, কিন্তু তিনি যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন,তাঁর মনে যেসব অনুভূতি জেগেছিল, সে-সব তিনি প্রকাশ করেছেন তাঁর বিশেষ উল্লেখযোগ্য এই গ্রন্থটিতে, ইঙ্গিতময় শৈলীতে, যার নতুন নামকরণ হয় ু ওফবধষং ড়ভ :যব ঊধং: চ [ ১৯০৩ ] সমকালীন রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর আরও মিল খুঁজে পাওয়া যায়৷ রবীন্দ্রনাথের মতো তিনিও বলতে চেয়েছিলেন : বিশ্বপাথে যোগে যেথায় বিহারো/সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারো৷ বিশ্বের বহু প্রখ্যাত মনীষী ও গুনীজনের সাথে রবীন্দ্রনাথের যোগ যেমন ভুবনজোড়া ওকাকুরা সানেরও তেমনই রবীন্দ্রনাথসহ জাপানের বাইরে অস্তিত্ববাদী দার্শনিক মাটিন হাইডেগগার, কবি অজরা পাউন্ড প্রমুখের বিশেষ সম্পর্ক ছিল৷ দ্বিতীয় এবং শেষবার এই দুই মহান প্রতিভার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ঘটে আমেরিকার বোষ্টন শহরে৷ তখন ওকাকুরা সান বোষ্টন মিউজিয়ামের প্রাচ্য বিভাগের কিউরেটর৷ সেই সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ পূর্বোক্ত ভাষণে মন্তব্য করেন : ... আমি দেখলাম বোস্টনের যেসব সংস্কৃতি সম্পন্ন আমেরিকাবাসী তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন তাঁদের মনে তিনি কী অপরিসীম শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তুলেছেন৷ কিন্তু তখনই তিনি ওকাকুরা সান-কে শারীরিকভাবে অসুস্থ দেখেন এবং তাঁর স্বদেশ জাপানে ফিরে যাওয়ার কথা শোনেন৷ ১৯১৬ খৃষ্টাব্দে রবীন্দ্রনাথের প্রথম জাপান দর্শনের তিন বছর আগেই ১৯১৩ খৃষ্টাব্দে ওকাকুরা সান মাত্র ৫০বছর বয়সে প্রয়াত হন৷ তাই শ্রীমতী ওকাকুরা সান ও তাঁদের পুত্রের আমন্ত্রণে দু-দিনের জন্য রবীন্দ্রনাথ ইদ্জুরা (ওফুঁৎধ)র উদ্দেশে টোকিও থেকে ট্রেনে যান৷ রেলস্টেশনে নেমে তাঁরা যখন গ্রামের পাহাড়ি অসমান রাস্তা ধরে চলেছিলেন তখন অসংখ্য মানুষ ভারতবর্ষের সেই ঋষিপ্রতিম মানুষটিকে একবার চোখে দেখার জন্য সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন৷ গ্রামের বাড়িটির যে ঘরটি ওকাকুরা সান-এর বড় প্রিয় ছিল, সেই ঘরটিতে বসে রবীন্দ্রনাথ লেখালেখি করেন৷ পরে অদূরে একটি ছোট উদ্যানের পাশে ঘাসের ছাওয়া ওকাকুরা সানের সমাধিতে বিশ্বকবি শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন এবং দেবদারু গাছের একটি চারা তাঁর বন্ধুর স্মৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে রোপণ করেন৷ সেই গাছটি আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে কি না, তা জানা নেই৷ তবে প্রায় একশো বছর পরে সম্প্রতি ২৩আগষ্ট, ২০০৭-এ জাপানের প্রাধান মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থান কলকাতার অদূরে বিধান নগরে পরিকল্পিত রবীন্দ্র-ওকাকুরা ভবন এর শিলান্যাস করে এ কথা আরও জোরের সাথে বুঝিয়ে দিলেন, মানবতার পূজারী এই দুই মহান প্রতিভার কাপিখত এশীয় ঐক্য ও সংহতি বিশ্ব মানবিক পরিবেশ অমলিন রাখার জন্য এবং বিশ্ব শান্তি অটুট রাখার জন্য কত সুচিন্তিত ভাবে অপরিহার্য৷ লেখক-পরিচিতি : বৃহত্তর কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতের অধিবাসী৷ জন্ম : ২৯নভেম্বর, ১৯৩৬ খৃষ্টাব্দ৷ মায়ের প্রেরণায় আকৈশোর মাতৃভাষা বাংলা রচনায় অনুশীলনরত৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে এম,এ এবং বিশ্বভারতী লোকশিক্ষা সংসদের একই বিষয়ে একাধিক পরীক্ষোতীর্ণ কলকাতা ও শান্তিনিকেতন এবং পশ্চিম বঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচারিত পত্র-পত্রিকায় তাঁর রচিত কবিতা, রম্যরচনা, প্রবন্ধ এবং বিশ্বের নানা ভাষায় রচিত মূল ছোট গল্পের বাংলা ভাষায় অনুবাদ প্রকাশিত হয়ে চলেছে৷ [পরবাস পরিবারের ড: আরিফা নাজনীন মাধ্যম সুত্রে পরবাস এর ঘনিষ্ঠতা] |
|
|
|
|
|
|
||||||||
|
©2007 Porobash. Privacy Policy |
||||||||||||